Player খারাপছেলে
Mind
ইন্টার্নশিপের জন্য নিজের পরিচয় ইংরেজিতে বলার অনুশীলন করছিলাম। লিখে রাখলে ঠিক থাকে, না দেখে বলতে গেলেই একই শব্দ বারবার আসে, তখন মনে হয় interviewer বুঝে যাবেন আমি মুখস্থ করেছি। আমার পাশে যে বন্ধু থাকে সে বলল বড় শব্দ বাদ দিতে, কিন্তু সহজ করে বললে আবার নিজের কথাই খুব সাধারণ শোনায়। আজ শুধু টিউশনের একটা অভিজ্ঞতা দিয়ে বলার চেষ্টা করেছি, ছাত্র কোথায় আটকে গিয়েছিল আর আমি কীভাবে বুঝিয়েছি। সেটা বলতে তুলনামূলক সহজ লাগল, কারণ ঘটনাটা সত্যি জানি। কতটা impressive হবে জানি না। আপাতত পুরো উত্তর সুন্দর করার বদলে মাঝপথে না থেমে শেষ করতে চাই, তারপর রেকর্ড শুনে ঠিক করব।
Emotion
আব্বু ফোনে বললেন এই মাসের ফি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আমার স্বস্তি পাওয়ার কথা, কিন্তু উনি কীভাবে ব্যবস্থা করেছেন সেটা জিজ্ঞেস করতে ভয় লাগছিল। বাড়তি টিউশনি নিচ্ছেন জানি, ক্লান্ত শোনালেও বলেন ভালো আছেন। নিজের পড়ার খবর গুছিয়ে বললাম যেন অন্তত বুঝতে পারেন টাকাটা নষ্ট হচ্ছে না। ফোন রাখার পর খুব বাড়ি যেতে ইচ্ছা করছিল, আবার বাসভাড়ার কথা মনে পড়ে নিজেই বিরক্ত হলাম। সবকিছু হিসাব করতে করতে আব্বুর সঙ্গে সাধারণ কথা বলাও কমে গেছে। আজ ক্রিকেটের একটা পুরোনো খেলার কথা তুলতে পারতাম, আমরা দুজনেই দেখেছিলাম। কিন্তু পুরো কথাটাই ফলাফল আর ফি নিয়ে শেষ হয়ে গেল।
Body
রাতে ফোনে presentation-এর লেখা ঠিক করতে করতে কখন যে অনেকক্ষণ কুঁজো হয়ে বসেছিলাম বুঝিনি। ঘাড় সোজা করতে গিয়ে টান লাগল, চোখের পেছনেও ব্যথা। রুমমেট বলল বাতি জ্বালিয়ে পড়তে, কিন্তু ওরা ঘুমাচ্ছিল বলে শুধু ফোনের আলোতেই করছিলাম। সকালে টিউশনে গিয়ে ছাত্রের খাতার ছোট সংখ্যাগুলো দেখতে কয়েকবার চোখ কচলাতে হয়েছে। সাধারণত নিজের শরীর নিয়ে ভাবি না, কাজ শেষ হলেই বিশ্রাম হবে মনে করি, অথচ একটা কাজ শেষ হলে আরেকটা এসে যায়। আজ দুপুরে বই খুলেও কিছুক্ষণ তাকাইনি, বিছানায় শুয়েছিলাম। ঘুম আসেনি, তবে উঠে বসে ঘাড় ঘোরাতে আগের মতো টান লাগেনি। আম্মুকে বললে আবার খাওয়ার কথাই বলবে, তাই বলিনি।